সাধের মোবাইল ফোন হারানোর দুঃখ কী, তা অনেকেই জানে। চুরি হলে মনে জাগে আশঙ্কা – চোর বুঝি সব তথ্য পড়ে ফেললো! চোর ভাবে, চোরাই ফোন বিক্রি করে যদি দু-পয়সা কামানো যায়। তাহলে উপায়?
উপায় রয়েছে। সব চোরাই ফোন পুরোপুরি বিকল হয়ে গেলে চোরের কি আর আগ্রহ থাকবে? ঠিক এই যুক্তিতেই প্রতিটি নতুন ফোনের মধ্যে একটি বিশেষ গুণ ঢোকাতে চায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স।
এই ‘কিল সুইচ’ ফোনটিকে পুরোপুরি বিকল করে দেবে। তখন সেটিকে ফেলে দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। অতএব মোবাইল ফোন চুরি করার ‘প্রেরণা’-ও আর থাকবে না। উত্তম প্রস্তাব, সন্দেহ নেই। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় মোবাইল পরিষেবা সংস্থাগুলি এর বিরোধিতা করছে৷ তাদের যুক্তিও ফেলনা নয়।
ফোনের মধ্যে এমন ‘কিল সুইচ’ থাকলে হ্যাকারদের সুবিধা। তারা তখন ইচ্ছামতো যে কোনো মোবাইল ফোন অকেজো করে দিতে পারবে । আমেরিকায় বিষয়টি নিয়ে এত তর্ক-বিতর্কের কারণও রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী সে দেশে ডাকাতির যত ঘটনা ঘটে, তার প্রতি তিনটির মধ্যে একটি ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনও হাতছাড়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের কারণে শুধু গত বছরই সাধারণ ভোক্তাদের প্রায় ৩,০০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। নিউ ইয়র্ক কর্তৃপক্ষ এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু করেছে৷ এর আওতায় তারাই মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানিদের কাছে ‘কিল সুইচ’ তৈরি করার দাবি জানায়।
স্যামসাং সেই ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের প্রস্তাব পেশ করে। এখন এটিঅ্যান্ডটি থেকে শুরু করে বড় বড় মার্কিন মোবাইল পরিষেবা কোম্পানিগুলি তাদের আপত্তি জানিয়েছে। এর পেছনে বাণিজ্যিক কারণও দেখতে পাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে দামি স্মার্টফোনের বীমা বাবদ কোম্পানিগুলি গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলার বাড়তি আয় করে।
এমন স্বার্থের সংঘাতের কারণে আপাতত গ্রাহকদের সামনে কোনো সহজ পথ খোলা নেই। স্যামসাং কোম্পানি আপাতত তাদের গ্যালাক্সি স্মার্টফোনের জন্য ‘কিল সুইচ’ জাতীয় পরিষেবা শুরু করেছে, তবে এর জন্য গ্রাহককে বাড়তি মাশুল গুনতে হচ্ছে।
অন্যান্য মোবাইল প্রস্তুতকারক বা পরিষেবা কোম্পানিগুলিও চোরাই বা হারিয়ে যাওয়া ফোন ‘ট্র্যাক’ করতে নানা রকম উপায় বার করেছে৷ তবে শুরু থেকেই গ্রাহককে সেই প্রক্রিয়া ‘সেটআপ’ করতে হয়। মোবাইল ফোনের নিরাপত্তার জন্য সহজ, বিস্তৃত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে ।
উপায় রয়েছে। সব চোরাই ফোন পুরোপুরি বিকল হয়ে গেলে চোরের কি আর আগ্রহ থাকবে? ঠিক এই যুক্তিতেই প্রতিটি নতুন ফোনের মধ্যে একটি বিশেষ গুণ ঢোকাতে চায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্যামসাং ইলেকট্রনিক্স।
এই ‘কিল সুইচ’ ফোনটিকে পুরোপুরি বিকল করে দেবে। তখন সেটিকে ফেলে দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। অতএব মোবাইল ফোন চুরি করার ‘প্রেরণা’-ও আর থাকবে না। উত্তম প্রস্তাব, সন্দেহ নেই। কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বড় মোবাইল পরিষেবা সংস্থাগুলি এর বিরোধিতা করছে৷ তাদের যুক্তিও ফেলনা নয়।
ফোনের মধ্যে এমন ‘কিল সুইচ’ থাকলে হ্যাকারদের সুবিধা। তারা তখন ইচ্ছামতো যে কোনো মোবাইল ফোন অকেজো করে দিতে পারবে । আমেরিকায় বিষয়টি নিয়ে এত তর্ক-বিতর্কের কারণও রয়েছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী সে দেশে ডাকাতির যত ঘটনা ঘটে, তার প্রতি তিনটির মধ্যে একটি ক্ষেত্রে মোবাইল ফোনও হাতছাড়া হয়।
হারিয়ে যাওয়া বা চুরি হওয়া মোবাইল ফোনের কারণে শুধু গত বছরই সাধারণ ভোক্তাদের প্রায় ৩,০০০ কোটি ডলার ক্ষতি হয়েছে। নিউ ইয়র্ক কর্তৃপক্ষ এই সমস্যার স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ শুরু করেছে৷ এর আওতায় তারাই মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারক কোম্পানিদের কাছে ‘কিল সুইচ’ তৈরি করার দাবি জানায়।
স্যামসাং সেই ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের প্রস্তাব পেশ করে। এখন এটিঅ্যান্ডটি থেকে শুরু করে বড় বড় মার্কিন মোবাইল পরিষেবা কোম্পানিগুলি তাদের আপত্তি জানিয়েছে। এর পেছনে বাণিজ্যিক কারণও দেখতে পাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে দামি স্মার্টফোনের বীমা বাবদ কোম্পানিগুলি গ্রাহকদের কাছ থেকে কোটি কোটি ডলার বাড়তি আয় করে।
এমন স্বার্থের সংঘাতের কারণে আপাতত গ্রাহকদের সামনে কোনো সহজ পথ খোলা নেই। স্যামসাং কোম্পানি আপাতত তাদের গ্যালাক্সি স্মার্টফোনের জন্য ‘কিল সুইচ’ জাতীয় পরিষেবা শুরু করেছে, তবে এর জন্য গ্রাহককে বাড়তি মাশুল গুনতে হচ্ছে।
অন্যান্য মোবাইল প্রস্তুতকারক বা পরিষেবা কোম্পানিগুলিও চোরাই বা হারিয়ে যাওয়া ফোন ‘ট্র্যাক’ করতে নানা রকম উপায় বার করেছে৷ তবে শুরু থেকেই গ্রাহককে সেই প্রক্রিয়া ‘সেটআপ’ করতে হয়। মোবাইল ফোনের নিরাপত্তার জন্য সহজ, বিস্তৃত ও স্থায়ী সমাধানের জন্য তাদের আরো অপেক্ষা করতে হবে ।

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন